রাজধানীর কাওলার টেক্স গ্রুপের শ্রমিক অপারেটর রুবেল বলেন, ‘আমাদের মালিক এখনও কোনও আশ্বাস দেয়নি। সরকারি মজুরি কাঠামো অনুযায়ী ১৬ হাজার টাকা বেতন হওয়ার কথা। কিন্তু মালিক পক্ষ একজন অপারেটরকে ৮ হাজার টাকা বেতন দেয়। সরকার আমাদের বেতন বাড়াইছে। আমরা সেই অনুযায়ী বেতন পেলে আন্দোলন করবো না।’
চৈতি গ্রুপ লিমিটেডের অপারেটর রফিক বলেন, ‘রবিবার আমাদের মালিক মৌখিকভাবে আশ্বাস দিয়েছে। কিন্তু আমরা লিখিত আশ্বাস চাই।’
ইমপ্রিরিয়াল গ্রুপের শ্রমিক আল আমিন বলেন, ‘আমরা বেশি কিছু চাই নি। আমাদের ন্যায্য পাওনা চাইছি। কিন্তু মালিক পক্ষে সেটাও দেয় না। সরকার বেতন বাড়াইছে এদিকে বাড়িওয়ালারাও ভাড়া বাড়াইছে কিন্তু গার্মেন্টস মালিকরা বেতন বাড়ায় না।’
নিপা গ্রুপ লিমিটেডের চেয়ারম্যান কসরু চোধুরী শ্রমিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা কাজে ফিরে যান। সরকারের যে বেতন কাঠামো ঠিক করেছে সে অনুযায়ী আপনাদের বেতন দেওয়া হবে। আমি যদি সরকারি নিয়ম অনুয়ায়ী বেতন দিতে না পারি তাহলে আমার ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দেব। যদি ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দেই সেক্ষেত্রে আমার ফ্যাক্টরিতে কর্মরত শ্রমিকদের অগ্রিম এক মাসের বেতনও দেওয়া হবে।’
গাড়ি আগুন দেওয়ার ব্যাপারে শ্রমিকরা বলেন, ‘গাড়িচালকারা আমাদের আঘাত করে। কিন্তু আগুনকে দিয়েছে তা আমরা জানি না। আগুনকে দিয়েছে তা তদন্ত করলে তা বের হবে।’