সোমবার (৭ জানুয়ারি) নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ শেষে বঙ্গভবন চত্বরে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে যাতে সরকার মিশে না যায়, সেদিকটাতে নজর রেখেই এবারের মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে। যারা বাদ পড়েছেন তাদের হারানোর কিছু নেই। আর যারা মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন, তাদেরও খুব বেশি আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। কেননা, দ্রুতই তাদের কাজের প্রমাণ দিতে হবে, না হলে মন্ত্রিসভা থেকে ছয় মাসের মধ্যেই বাদ পড়বেন।’
নির্বাচনি ইশতেহারে যা বলা হয়েছে, তা অক্ষরে অক্ষরে পালন ও বাস্তবায়ন করাই নতুন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলে এ সময় মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনি ইশতেহার অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নই চ্যালেঞ্জ। এটি আমরা প্রথমেও করবো, ভবিষ্যতেও করবো। আমরা ইশতেহারের সব প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পালনের চেষ্টা করবো।’
এর আগে সোমবার সকালে সচিবালয়ে তিনি এ বিষয়ে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ইশতেহারের সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের উপযোগী করে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন। প্রয়োজনে মন্ত্রিসভার কলেবর বর্ধিত করা হতে পারে।’
মন্ত্রিসভায় বাদ পড়াদের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমার মনে হয় এখানে হারানোর কিছু নেই। এটা দায়িত্বের পরিবর্তন, দায়িত্বের রূপান্তর। কেউ দলে কাজ করবেন, কেউ সরকারে কাজ করবেন।’ তিনি বলেন, ‘যারা মন্ত্রী আছেন তারা দলকে সেভাবে সাপোর্ট দিতে পারেন না। আমরা দলকে আরও স্ট্রংগার ও স্মার্ট করতে চাই।’
১৪ দলের শরিকদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘১৪ দল আমাদের সঙ্গে আছে। মন্ত্রিত্ব তো পাঁচ বছরের ব্যাপার। মাঝে মাঝে রিশাফল হবে, পারফরম্যান্স ভিত্তিতে।’