মঙ্গলবার (৮ জানুয়ারি) সকাল ৭টা থেকে চালক, সুপারভাইজার, মেকানিকসহ অন্যান্যরা কর্মবিরতি ঘোষণা দিয়ে ডিপোতে অবস্থান নিয়েছেন।
খিলক্ষেত জোয়ার সাহারা এই ডিপো থেকে বিআরটিসির প্রায় ১১০টি বাস রাজধানীর বিভিন্ন রুটে চলাচল করে। ডিপোতে ১৪০ জন চালক, শতাধিক সুভারভাইজার ও মেকানিকসহ মোট ৩০০ শ্রমিক কাজ করেন। তারা সবাই সরকারি নিয়োগপ্রাপ্ত। তাদের ৯ মাসের বেতন বকেয়া জমেছে।
ডিটির চালক মো.মিজান বাংলা ট্রিবিউনকে এসব তথ্য জানান।তিনি বলেন, ‘আমরা ৯ মাসের বেতন পাই না। ডিসেম্বরে সব বেতন পরিশোধ করার কথা ছিল, কিন্তু করা হয়নি। ২০১৬ সালের শেষ দিক থেকে আমাদের বেতন বকেয়া হওয়া শুরু হয়েছে। এবছর সব দিয়ে দেওয়ার কথা বলা হলেও আমাদের হেড অফিস কথা রাখেনি। আমরা বিবিন্ন মন্ত্রণালয় চিঠি দিয়েছি, কাজ হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে যাচ্ছি। হেড অফিস থেকে কর্মকর্তারা আসছিলেন, তারা দেবেন বলে আশ্বাস দিচ্ছেন, তবে কবে দেবেন, তা কেউ বলতে পারছেন না। আমাদের নির্দিষ্ট করে বলতে হবে, কখন বেতন দেওয়া হবে।’
সারাদেশে বিআরটিসির ডিটির চালক ও স্টাফদের বেতন বকেয়া পড়েছে। বিআরটিসি’র এক জ ন কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রংপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম সব ডিপোতেও বকেয়া। এগুলো ধীরে ধীরে জমেছে। টানা কখনও বকেয়া হয়নি। গাজীপুরে ১২ মাসের বেতন পাবেন শ্রমিকরা।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাজধানীর মিরপুর, গাবতলীতেও বকেয়া বেতন পাবেন শ্রমিকরা। তবে কল্যাণপুর এ মতিঝিল ডিপোতেও বকেয়া কম। তারা ১ ও তিন মাসের বকেয়া বেতন পাবেন। বাকি ডিপো ১০/১২ মাসের বকেয়া।’
খিলক্ষেত ডিটির ম্যানেজার নূরে আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এই বকেয়া আগের। এগুলো এখন ওভারকাম করার চেষ্টা চলছে। নতুন গাড়ি এসেছে, আশাকরি এখন ঠিক হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শ্রমিকদের সঙ্গে আমাদের হেড অফিসের কর্মকর্তারা বসেছেন, তারা কথা বলছেন। আশা করি একটি ভালো সিদ্ধান্ত আসবে।’