শুক্রবার (২৫ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের আকরাম খাঁ হলে ‘আসাদ থেকে গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আসাদ বলেছিলেন আমি কৃষকদের সংগঠিত করবো, সাধারণ মানুষদের নিয়ে অধিকার আন্দোলন করবো। তিনি খবর নিয়ে এসেছিলেন কিন্তু পুলিশের গুলিতে নিজেই খবর হয়ে গেলেন।’
তিনি আরও বলেন, আসাদের মৃত্যু কোনও দুর্ঘটনা নয়। তার মৃত্যুতে গণঅভ্যুত্থান রূপ নেয় গণআন্দোলনে। সেদিন আদমজী থেকে শুরু করে সারাদেশে শ্রমিকরা মাঠে নামেছে এমনকি হাইকোর্টের জজরাও মাঠে নেমেছিলেন। কিন্তু,তার এই ইতিহাস বর্তমান যুগে সেভাবে আসছে না। তার এই ইতিহাসকে বর্তমান প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের জানতে হলে পাঠ্যপুস্তকে যোগ করতে হবে। তাহলেই বর্তমান যুগের ছেলেমেয়েরা তার ঠিক ইতিহাস জানতে পারবে।’
আলোচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে নাট্যকার মামুনুর রশীদ বলেন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে আসাদের প্রাণ একইসঙ্গে ঐতিহাসিক ও রাজনীতি। কিন্তু তার ইতিহাস বর্তমানে চোখে পড়ে না। তার সঠিক ইতিহাস আমাদের বর্তমান প্রজন্মকে জানাতে হবে এবং জানতে হবে।
এসময় তিনি আসাদের সঠিক ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে যোগ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
লেখক নাট্যকার কলামিস্ট আবুল মকসুদ বলেন, আসাদ বেঁচে না থেকেও তিনি জাতিকে অনেক কিছুই দিয়েছেন। কোনও মানুষের মৃত্যুতে জাতিকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যায় তার বড় প্রমাণ আসাদ নিজে।
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন লেখক নাট্যকার কলামিস্ট আবুল মকসুদ, ওয়ার্কাস পার্টির সদস্য কামরুল হাসান, আনিসুর রহমান, আনিস রহমান মল্লিক প্রমুখ।