যে সাত কারণে হেরেছে প্রতিপক্ষ জোট

জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

চতুর্থবারের মতো সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ প্রথম ভাষণ দিলেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, সুশাসন প্রতিষ্ঠাসহ সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের কথা তুলে ধরেন তিনি।

ভাষণে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোটের জয়ের কারণের পাশাপাশি বিরোধী জোটের পরাজয়ের কারণও উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিপক্ষ জোটের নির্বাচনি কৌশল সম্পর্কে আপনারা ভালোভাবেই জানেন। আমি এ নিয়ে কথা বলতে চাই না। তাদের (প্রতিপক্ষ জোট) পরাজয়ের বহুবিধ কারণ রয়েছে।’ 

  • এক আসনে ৩-৪ জন বা তারও বেশি প্রার্থী মনোনয়ন।
  • মনোনয়ন নিয়ে ব্যাপক বাণিজ্যের অভিযোগ ও দুর্বল প্রার্থী মনোনয়ন।
  • নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠাতা পেলে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন - সে বিষয়ে অনিশ্চয়তা।
  • নিজেরা জনগণের জন্য কী করবে,  সে কথা তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে। অপরদিকে ক্ষমতায় গেলে আমাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের প্রতিহিংসামূলক ব্যবস্থা নেবে, তাদের প্রচারণায় তা প্রাধান্য পেয়েছে।
  • সোশ্যাল মিডিয়ায় আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিষোদগার করা ছাড়া নিজেদের সাফল্যগাথা তুলে ধরতে পারেনি।
  • তাছাড়া, ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়তের দেশব্যাপী অগ্নিসন্ত্রাস ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষের মন থেকে মুছে যায়নি।
  • সর্বোপরি, বিএনপির ধানের শীষ মার্কায় যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতাদের মনোনয়ন তরুণ ভোটাররা মেনে নিতে পারেনি। তরুণেরা আর যাই হোক স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির পক্ষ নিতে পারে না।

এ রকম আরও বহু উদাহরণ দেওয়া সম্ভব, যার মাধ্যমে প্রমাণ করা যাবে যে সাধারণ ভোটাররা বিএনপির দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন এবং নৌকার অনুকূলে এবার গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছিল।

আরও পড়ুন:
‘আ. লীগের বিপুল বিজয় ছিল খুবই প্রত্যাশিত’