বৃহস্পতিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে নিজ দফতরে জাতিসংঘের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এ সময় জাতিসংঘের সিনিয়র মানবাধিকার বিষয়ক উপদেষ্টা হেইকা আলেফসেন ও সোকো ইসাইকাওয়াসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘জাতিসংঘ মিশনের সবাই একটি প্লাটফর্মে এসেছে, আমাদের সঙ্গে আলোচনা করতে। তারা জানিয়েছে, আলাদা আলোচনা করলে সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হয়। একসঙ্গে আলোচনা করলে দ্রুত সিদ্ধান্ত ও সমস্যা সমাধান করা যায়।’
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তারা আমাদের কাছে সাক্ষ্য আইন ও বৈষম্য বিরোধ আইনের ব্যাপারে তাদের বক্তব্য দিয়েছে। তারা জানতে চেয়েছেন, এ দুই আইন কবে হবে। আমরা বলেছি, সাক্ষ্য আইন নিয়ে সরকার কাজ করছে। আর বৈসম্য বিরোধ আইন নিয়ে আগামী মাসে একটি বড় আকারের সভা করা হবে। সেখানে বিশ্বের অন্যান্য দেশের আইনে কি আছে, সেটা জানার চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি যারা এ আইনের ব্যাপারে আগ্রহী, তারা কি চায় এবং আমরা খসড়ায় কি করছি, তা দেখা হবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়েও কিছুটা আলোচনা হয়েছে, সেখানে সরকারের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে।’
জাতিসংঘের সিনিয়র মানবাধিকার বিষয়ক উপদেষ্টা হেইকা আলেফসেন বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে আইনমন্ত্রীর আলোচনা হয়েছে। আমরা কিছু আইনের ধারা, মানবাধিকার, অর্থনীতি নিয়ে আলোচনা করছি। এক্ষেত্রে মানবাধিকার নিয়ে সরকার অনেক কাজ করেছে।’