শিল্প মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদফতর, কল-কারখানা অধিদফতর, বিস্ফোরক অধিদফতর, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং ঢাকা জেলা প্রশাসকের একজন করে উপযুক্ত প্রতিনিধি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলর,বাংলাদেশ কেমিক্যাল অ্যান্ড পারফিউমারি মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ এসিড মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ পেইন্টস্, ডাইজ অ্যান্ড কেমিকেল মার্চেন্টস্ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ সোসাইটি অব কেমিক্যাল সায়েন্টিস্টের সাধারণ সম্পাদক কমিটিতে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, শিল্প মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে। তদন্ত প্রতিবেদনে দুর্ঘটনার কারণ ও প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে আগুন দুর্ঘটনা পুনরাবৃত্তি রোধে সুপারিশ করতে বলা হয়েছে। এই তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকেই শিল্প মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানানো হয়।
শিল্পমন্ত্রী পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আহতদের দেখতে যান। পরে শিল্পমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘চকবাজার এলাকার রাজ্জাক ভবনে সংঘটিত আগুনের ঘটনা গ্যাস সিলিন্ডারের বিস্ফোরণ থেকে হয়েছে। এরপরও এ দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান, প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ এবং আগুন দুর্ঘটনা পুনরাবৃত্তি রোধে সুপারিশ দেওয়ার জন্য এরইমধ্যে ১২ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে।’
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘রাজধানীর পুরনো ঢাকার কেমিক্যাল ও প্লাস্টিক কারখানাগুলো পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ জায়গায় স্থানান্তরের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয় এরইমধ্যে দু’টি প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে কেমিক্যাল কারখানা স্থানান্তরের জন্য কেরানীগঞ্জে ‘বিসিক কেমিক্যাল পল্লী প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ৫০ একর জমির ওপর গড়ে তোলা এ প্রকল্পে ৯৩৬টি প্লট থাকছে। ২০১ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি ২০২১ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে।’