দুই প্রার্থী ছাড়া প্রচারে অন্যদের খুব একটা দেখা না গেলেও জয়ের ব্যাপারে সবাই আশাবাদী। অন্য প্রার্থীরা হলেন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আনিসুর রহমান দেওয়ান, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক পার্টির (পিডিপি) শাহীন খান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুর রহিম।
জাতীয় পার্টির প্রার্থী শাফিন আহমেদে বলেন, ‘বায়ু দূষণে বিশ্বে ঢাকার অবস্থান প্রথম। এটা রোধ করতে হবে। খাল খনন করে পানি ধরে রাখার চেষ্টা করবো। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কোনও ধরনের পলিব্যাগ সহ্য করা হবে না। এই এলাকায় মাদক ও খাদ্যে ভেজাল নির্মূলে আমার অবস্থান থাকবে জিরো ট্রলারেন্স। পরিবেশের উন্নয়নে বৃক্ষরোপণ করা হবে। ফুটপাত যাতে পথচারীদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া যায় সেজন্য হকার পুনর্বাসন করে ফুটপাত দখল মুক্ত করবো।’
তবে নির্বাচন নিয়ে শাফিন আহমেদ এই প্রার্থীর নানা আশঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আসলে নির্বাচনে কী হবে সেটা সবাই জানে। মানুষ একই রকমের নির্বাচন দেখে আসছে। আর দেখতে চায় না। সরকার দলের প্রার্থী সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন। মানুষ যাতে কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে পারে সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।’
প্রার্থীদের এমন প্রতিশ্রুতির বিষয়ে বাড্ডা এলাকার ভোটার মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘নির্বাচনের অগে প্রার্থীরা অনেক ধরনের কথা বলেন। বস্তি থেকে শুরু করে সব এলাকার ভোটারদের ঘরে ঘরে যান। নির্বাচিত হলে সবই ভুলে যান। আমরা এমন অনেক প্রার্থীর প্রতিশ্রুতি দেখেছি। কিন্তু কোনও কিছুরই বাস্তবায়ন দেখিনি। আমার বিশ্বাস, যোগ্য নেতৃত্বে এলে ঢাকা শহরের চেহারা পাল্টে দেওয়া সম্ভব।’
মেয়র প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে নগর পরিকল্পনাবিদ মোবাশ্বার হোসেন বলেন, ‘প্রতিশ্রুতি দেওয়া সহজ, কিন্তু রক্ষা করা কঠিন নয়। নির্বাচিত হওয়ার পর মেয়রের প্রথম কাজ হবে নাগরিকদের পাশাপাশি যারা নগর নিয়ে জানেন, বোঝেন এবং গবেষণা করেন তাদের সঙ্গে সবে একটা ধারণা নেওয়া। এরপর সবার মতামত ও বাস্তবতার আলোকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে সমাধান করা।’