মঙ্গলবার (৫ মার্চ) বেলা সোয়া ১১টার দিকে অভিযানের পঞ্চম দিন বকশিবাজারের জয়নাগ রোডে অভিযান শুরু হয়। শুরুতেই বিক্ষোভ শুরু করেন প্লাস্টিক ব্যবসায়ীরা। অভিযানের শুরুতেই বকশিবাজারের জয়নাগ রোডে ১১/১সি নম্বর বাসায় প্লাস্টিক দানার কারখানা ও গুদাম পান অভিযানিক দল। পরে কারখানাসহ পুরো ৭ তলা ভবনের বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। একই রোডের আরও একটি বাসার নিচতলায় প্লাস্টিক দানার কারখানা পাওয়ায় সেখানেও বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। দু’টি বাসার বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পরপরই প্লাস্টিক ব্যবসায়ীরা একত্রিত হয়ে অভিযানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করেন। বিক্ষোভ থেকে তারা অভিযান বিরোধী নানা স্লোগান দেন।
বিক্ষোভ করা প্লাস্টিক ব্যবসায়ী রিয়াদ বলেন, ‘আপনারা পুরান ঢাকায় যেসব দাহ্য পদার্থ রয়েছে সেগুলো সরান, প্লাস্টিকের দানা দাহ্য পদার্থ নয়। যদি গোডাউন সরাতে হয় তাহলে সময় দিন। আর আমাদের জন্য বাড়ির সবাইকে কষ্ট দিচ্ছেন কেন?’
দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ আহমেদ খানসহ তিতাস গ্যাস, ঢাকা ওয়াসা, ডিপিডিসি, বিস্ফোরক অধিদফতর, পরিবেশ অধিদফতর, ঢাকা জেলা প্রশাসন চকবাজার থানা পুলিশের সদস্যরা অভিযানে উপস্থিত রয়েছেন।
এদিকে একই সময়ে ডিএসসিসির স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে চকবাজার এলাকায় টিম-২ এর অভিযান শুরু করে। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের ৫টি টিম পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে। অভিযান বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলবে। এখন পর্যন্ত আমার নেতৃত্বাধীন টিম পাঁচটি গোডাউনের ইউটিলিটি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে।’