তিনি আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একমত উল্লেখ করে বলেন, ‘নির্বাচনের আগে ছাত্ররা যে দাবি করেছিল সেগুলোর যৌক্তিকতা এরইমধ্যে সামনে এসেছে। অবিলম্বে নিরপেক্ষ শিক্ষকদের সমন্বয়ে নির্বাচন কমিটি গঠন করে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার আহ্বানের পাশাপাশি হলের বাইরে কেন্দ্র স্থাপন, স্টিলের বাক্স পরিবর্তন করে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহারের দাবি মেনে নিতে হবে।’
তিনি এ সময় অভিযোগ করেন, ‘১১ মার্চ একটি কারচুপির নির্বাচন হয়েছে। পুরো নির্বাচনি প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত ছিল। তারা ভোটের আগে ছক তৈরি করেছিল, সেটি বাস্তবায়ন করেছে। কিন্তু দুটি পদে তারা কারচুপি করেও জয়লাভ করতে পারেনি।’
পরে নুর, লিটন নন্দী, উম্মে হাবিবা বেনজির, অরণী সেমন্তী খান, ফারুক খানসহ বিভিন্ন প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রায় ১১ জন উপাচার্য কার্যালয়ে যান। সেখানে তারা উপাচার্যের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন ও পুনর্নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক দাবি জানাবেন।
এদিকে পুনর্নির্বাচনের দাবিতে উপাচার্য ভবনের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে। অবস্থান কর্মসূচি থেকে পুনর্নির্বাচন ও ভিসির পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হচ্ছে।
ছবি: নাসিরুল ইসলাম