স্পিকারের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

স্পিকার শিরিন শারমিনের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন তুরস্কের রাষ্ট্রদূত দেভরিম ওজতুর্ক

বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত দেভরিম ওজতুর্ক মঙ্গলবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সংসদ ভবনের স্পিকারের কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎকালে তারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কোন্নয়ন, সংসদীয় কার্যক্রম, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসন ও ব্যবসা –বাণিজ্যের প্রসার নিয়ে আলোচনা করেন।

তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড় উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, দু’দেশের সংসদের মধ্যকার সম্পর্ক জোরদার ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে এ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার সুযোগ রয়েছে।

সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এ সম্পর্ক জোরদার হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ ৩০ জানুয়ারি ২০১৯ হতে কার্যক্রম শুরু করেছে । দ্রুততম সময়ে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

স্পিকার বলেন, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার নবদ্বার উন্মোচন করেন। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় তুরস্কও রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তায় এগিয়ে এসেছে। এখন সময় এসেছে বাংলাদেশে আশ্রয়গ্রহণকারী রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে জোরালো ভূমিকা রাখা।

শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশে এখন বিনিয়োগের ইতিবাচক পরিবেশ রয়েছে। এসময় তিনি রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে তুরস্কের ব্যবসায়ী সমাজকে বাংলাদেশে ওষুধ, তৈরি পোশাক ও আইসিটি খাতে বিনিয়োগের আহবান জানান।

দেভরিম ওজতুর্ক বলেন, ঔষধ শিল্পে সারা বিশ্বে বাংলাদেশ সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। ঔষধ শিল্পে বাংলাদেশের সাফল্য অনুকরণীয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, খুব শীঘ্রই তুরস্ক হতে মন্ত্রী পর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের বিকাশ দেখতে বাংলাদেশ সফর করবেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে তুরস্কের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ব্যবসা বাণিজ্যের সামঞ্জস্য রয়েছে। এ ধারাবাহিকতায় সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন করতে তুরস্ক খুবই আন্তরিক। তুরস্ক বিশ্বাস করে দু’দেশের সংসদ সদস্যরা পারস্পরিক মতবিনিময় ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারেন। এসময় তিনি বাংলাদেশে ব্যবসা বাণিজ্য প্রসারে ভূমিকা রাখবেন বলে স্পিকারকে অবহিত করেন।