ভুটানে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার পাঠাবে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হচ্ছে, ছবি: ফোকাস বাংলাভুটানে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার পাঠানোর বিষয়ে একমত হয়েছে বাংলাদেশ। শনিবার (১৩ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোতে শেরিংয়ের দ্বিপক্ষীয় আলোচনার পরে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হয়।

শেরিং চারদিনের দ্বিপক্ষীয় সফরে শুক্রবার সকালে ঢাকা এসেছেন। তাকে অভ্যর্থনা জানায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার  সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দুই নেতার মধ্যে একান্ত আলোচনার পরে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়।

এ বিষয়ে একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘ভুটান থেকে অনেক মেডিক্যাল ছাত্র আমাদের দেশে পড়তে আসে এবং আমাদের চিকিৎসকদের সেখানে সুনাম আছে।’

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভুটানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সমঝোতা স্মারকের পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারকের বাস্তবায়নের জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ড অব প্রসিডিওর সই করা হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মাদ আব্দুস সামাদ এবং ভুটানের অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব সোনাম তেনজিং এতে স্বাক্ষর করেন।

এ বিষয়ে আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, ২০১৭ সালে শেখ হাসিনার ভুটান সফরের সময়ে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার সংক্রান্ত সমাঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়। এর ধারাবাহিতায় কীভাবে তারা আমাদের বন্দর ব্যবহার করবে এবং কীভাবে নৌপথে তারা তাদের পণ্য আনা-নেওয়া করবে সে সংক্রান্ত মাঠ পর্যায়ের বাস্তবায়ন সংক্রান্ত স্ট্যান্ডার্ড অব প্রসিডিওর সই করা হয় এবং আগামী মে মাস থেকে এটি কার্যকর করা হবে।

এছাড়া কৃষি গবেষণা এগিয়ে নেওয়ার জন্যও দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে এবং এ বিষয়ে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল এবং ভুটানের ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে।

পর্যটনে ভুটান দক্ষতা আছে এবং এ বিষয়ে বাংলাদেশ তাদের সঙ্গে একত্রে কাজ করতে চায়।

আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, ‘অনেক পর্যটক শুধু বাংলাদেশে আসতে আগ্রহী নয়। এসব ক্ষেত্রে যদি দুই বা ততোধিক দেশের প্যাকেজ অর্থাৎ এক সফরে বাংলাদেশ ও ভুটান ভ্রমণ সংক্রান্ত অফার দিতে পারে তবে অনেক পর্যটক আগ্রহী হবে।’

এ অঞ্চলের পর্যটন শিল্প উন্নয়নে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করলে উভয়েরই লাভ হবে বলে তিনি জানান।