দিনাজপুরের আয়কর বিভাগের কর্মকর্তারা রাজস্ব খাতের কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। জানা গেছে, কর অঞ্চল-রংপুরের আওতাধীন দিনাজপুরের করদাতাদের কাছ থেকে আদায় করা টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে ব্যক্তিগত হিসাব ব্যবহার করে আত্মসাৎ করা হয়েছে।
রবিবার (২৮ এপ্রিল) সংস্থাটির উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য এসব তথ্য জানান।
তিনি জানান, নিয়মানুযায়ী আয়কর বিভাগ হতে প্রাপ্ত টাকা চালান বা পে-অর্ডারের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড-দিনাজপুর করপোরেট শাখার ট্রেজারির হিসাব কোডে জমা হওয়ার কথা। কোনও ব্যক্তিগত হিসাবে জমা হওয়ার কোনও সুযোগ নেই। কিন্তু পে-অর্ডার ব্যাংকে জমা হওয়ার পর তা ছিঁড়ে ফেলে এবং পে-অর্ডারগুলোর পেছনে ঘষামাজা করে একটি নির্দিষ্ট বেতন বিলের হিসাব নম্বরে জমা দেওয়া হয়েছে। এই কাজে সোনালী ব্যাংক ও আয়কর বিভাগের কিছু কর্মকর্তার যোগসূত্রের তথ্য পেয়েছে এনফোর্সমেন্ট টিম।
দুদক আরও জানায়, একটিমাত্র অ্যাকাউন্ট যাচাই করেই প্রায় ৪০ লাখ টাকা অনৈতিকভাবে উত্তোলনের তথ্য পাওয়া যায়। আরও কিছু হিসাব যাচাই করলে আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণ আরও বাড়বে। দুদক টিম এ বিষয়ে অনুসন্ধানের সুপারিশ করে কমিশনে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেবে।
এদিকে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে রবিবার রাজধানীর ইস্কাটনে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ), নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিস ও চাপাইনবাগঞ্জে বিআরটিএ কার্যালয়ে পৃথক অভিযান চালিয়েছে দুদক। এসব কার্যালয়ের অনিয়ম, দুর্নীতি নিয়ে শিগগিরই প্রতিবেদন জমা দেবে দুদক।