বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া ও প্যাসিফিকের সচিব মাহবুব উজ জামান নেতৃত্ব দেন। আর মিয়ানমারের পক্ষে নেতৃত্ব দেন মিন্ট থো।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোহিঙ্গাদের বৃহত্তর আত্মবিশ্বাস তৈরির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যেন রাখাইনে কাজ করতে পারে, তার জন্য একটি ব্যবস্থা তৈরি প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, সম্মানজনক এবং টেকসই প্রত্যবাসন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের সভায় আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে রাখাইনে প্রত্যাবাসনের সহায়ক পরিবেশ তৈরির জন্য তাগিদ দিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়, সব ধরনের আইনি ও প্রসাশনিক বাধা দূর করার জন্য। যেন রোহিঙ্গারা অবাধে চলাচল করতে পারে এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। তারা যেন নাগরিকত্ব পায়, তার জন্য একটি পথরেখার ওপরও জোর দেয় বাংলাদেশ।
প্রত্যাবাসনের পথে সকল বাধা দূর করে দ্রুত শুরু করার ওপর তাগিদ দিলে উভয় পক্ষ ভেরিফিকেশন-প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে সম্মতি দেয়।