রবিবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মেরিন একাডেমির ডেক ক্যাডেট আলি আজগরের পরিবারের কাছে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্যে চিকিৎসারত অবস্থায় দেশের ঘূর্ণিঝড়ের খোজঁখবর নিয়েছেন ও দেশবাসীর কল্যাণ কামনা করেছেন।’
নৌপ্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘জন্ম-মৃত্যু সবকিছু আল্লাহর কাছে। এতে কারও হাত নেই। মৃত্যুর কোনও ক্ষতিপূরণ নেই। ক্ষতিপূরণের অর্থ দিয়ে দুঃখ ভোলার বিষয় নয়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি কঠিন অবস্থার মুখোমুখি, তাদের জন্য কঠিন বাস্তবতা। পরিবারটি সন্তান হারিয়েছে। আমরা হারিয়েছি একজন দক্ষ নাবিক। যা খুবই দুঃখজনক। আমরা প্রতিটি নাবিকের পাশে আছি।’
প্রতিমন্ত্রী মৃত ক্যাডেট আলী আজগরের বাবা আলী আকবর খান ও মা রাজিয়া আকবরের কাছে জীবন ক্ষতিপূরণের ৮৩ লাখ ৩৮ হাজার ১২৩ টাকার চেক হস্তান্তর করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে নৌপরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক কমোডর সৈয়দ আরিফুল ইসলাম ও মেরিন হাইভ লিমিটেডের চেয়াম্যান ক্যাপ্টেন শামসুল এ খান উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির ৫১তম ব্যাচের ডেক ক্যাডেট আলী আজগর ও সরকারি শিপিং অফিস চট্টগ্রামের মাধ্যমে স্থানীয় ম্যানিং এজেন্ট মেসার্স মেরিন হাইভ লি. এর ব্যবস্থাপনাধীন এমভি ডালী নামক জাহাজের চুক্তিপত্র সাইন অন করেন। পরবর্তীতে জাহাজ পরিবর্তন করেন। জাহাজটি আর্জেন্টিনার পোর্টে অবস্থানকালীন জাহাজ মাস্টারের অনুমতি নিয়ে শোর লিভ-এ যাওয়ার সময় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন।
মরহুম আলী আজগর ২০১৭ সালে মেরিন একাডেমির ৫১ তম ব্যাচ এ নটিক্যাল বিভাগ থেকে পাস করেন। তিনি ‘মেরিন হাইভ লিমিটেড’ ম্যানিং এজেন্ট থেকে জাহাজে যোগদানের লক্ষ্যে পাঁচ বছরের জন্য চায়নায় উচ্চ প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে চুক্তিবদ্ধ হন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তিনি তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন।