ইলিশ-গবেষণায় জাহাজ নির্মাণ করবে খুলনা শিপইয়ার্ড

খুলনা শিপইয়ার্ডের সঙ্গে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সমঝোতা স্মারক

ইলিশ-গবেষণায় জাহাজ নির্মাণ করবে খুলনা শিপইয়ার্ড। এ লক্ষ্যে সোমবার (১৩ মে) মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে খুলনা শিপইয়ার্ডের সঙ্গে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ সময় মৎস্য প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরুর উপস্থিতিতে ইলিশ মাছের গবেষণা কার্যক্রমের জন্য একটি গবেষণা ও জরিপ জাহাজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রায় পৌনে আট কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য গবেষণা জাহাজটি খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড দুই বছরের মধ্যে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের কাছে হস্তান্তর করবে। চাঁদপুর নদীকেন্দ্রের ইলিশ গবেষণা জোরদারকরণ প্রকল্পের অর্থায়নে জাহাজটি নির্মিত হচ্ছে। সমঝোতা স্মারকে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন চাঁদপুর নদীকেন্দ্রের ইলিশ গবেষণা জোরদারকরণ প্রকল্পের পিডি আবুল বাশার ও খুলনা শিপইয়ার্ডের এমডি আনিসুর রহমান মোল্লা স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের সচিব রইছউল আলম মণ্ডল, মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান দিলদার আহমেদ, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডিজি ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, মৎস্য অধিদফতরের ডিজি আবু সাইদ মো. রাশেদুল হকসহ মন্ত্রণালয়ের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। গবেষণা জাহাজটিতে ফিশ ফাইন্ডার, ইকো সাউন্ডার, নেভিগেশন এবং অত্যাধুনিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা, অগ্নিনির্বাপক, ইলিশ গবেষণার ল্যাবরেটরি, নেটিং সিস্টেম, পোর্টেবল হ্যাচারিসহ অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন থাকবে।
জাহাজটি নির্মিত হলে দেশের সংশ্লিষ্ট নদী এবং সাগরের মোহনায় ইলিশের প্রজনন ও বিচরণক্ষেত্রের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ, নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিতকরণ, সর্বোচ্চ সহনশীল উৎপাদন, ইলিশের জীবনচক্র, উৎপাদনশীলতার ওপর পরিবেশের প্রভাব এবং জলবায়ুগত প্রভাব নির্ণয়, ইলিশের প্রজনন-সাফল্য, ডিমের উৎপাদন, জাটকা ও ইলিশের প্রাচুর্যতার ওপর ব্যবস্থাপনা কৌশলাদি বাস্তবায়নের প্রভাব নিরূপণ করা সম্ভব হবে।