বৈঠক সূত্রে জানা যায়, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফার্মেসি থেকে সংগ্রহ করে তা নিজস্ব ব্যবস্থায় এবং পরিবেশবান্ধব উপায়ে ধ্বংস করবে ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো। এ বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনার পর তাদের রাজি করানো গেছে। এছাড়া আরও জানা যায়, ওষুধ ধ্বংস করার পর ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরকে তা রিপোর্ট আকারে জানাতে হবে। এই সংক্রান্ত একটি চিঠি অধিদফতরের পক্ষ থেকে সব স্টেকহোল্ডারকে পাঠানো হবে।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান।
চিঠির বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বৈঠকে সবাই সম্মত হয়েছেন মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করার ব্যাপারে। এক্ষেত্রে ফার্মেসি এবং ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি উভয়েই একে অপরকে সহযোগিতা করবে। কাজটি শেষ করে অধিদফতরে প্রতিবেদন পাঠাতে বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এ ধরনের ওষুধ বিক্রিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং মজুত ও বিক্রি বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ১৮ জুন রুলসহ এই আদেশ দেন। নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানিয়ে বিবাদীদের ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
এ সংক্রান্ত আগের সংবাদ:
ফার্মেসির মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ একমাসের মধ্যে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ হাইকোর্টের