সোমবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে বিএনপির সংরক্ষিত সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
ইমরান আহমদ বলেন, বিদেশফেরত নারী কর্মীদের সামাজিকভাবে পুনর্বাসন করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যদি কোনও নারী কর্মী ধর্ষণের শিকার হয়ে থাকেন, দেশে ফেরত আসার পর তাদের সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আরেক সম্পূরক প্রশ্নে বিএনপির হারুনুর রশীদ জানতে চান, প্রবাসে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতারণা বন্ধ করতে ইউনিয়ন পর্যায়ে অনলাইন নিবন্ধনের ব্যবস্থা করা হবে কিনা।
জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, উনারা (বিএনপি) যে আমাদের মতো চিন্তা করতে শুরু করেছেন, এজন্য ধন্যবাদ।
ইমরান আহমদ আরও বলেন, প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতারণা একটা সমস্যা। প্রতারণা গ্রাম থেকে শুরু হয়ে যায়। কোনও কোনও ট্রাভেল এজেন্সি বলে, ভিসা দিয়ে বিদেশে নিয়ে যাবে। কিন্তু এটা আইনের বাইরে। এ জন্য কয়েকটি কোম্পানিকে ধরা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে। কর্মী নিবন্ধনের কাজ শেষ পর্যায়ে। জুলাই-আগস্টের মধ্যে এটা চালু করা হবে। নিবন্ধন ইউনিয়ন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে। ইউনিয়নের ডিজিটাল সেন্টার থেকে নিবন্ধনের ব্যবস্থা করা হবে। এ ছাড়া বিদেশগামীদের ডাটাবেজ করা হচ্ছে।