২০ থেকে ৩০ শতাংশ হাসপাতালে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক (ফাইল ছবি)সরকার দেশের প্রতিটি হাসপাতালে অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘দেশের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ হাসপাতালে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা আছে। ২০ থেকে ৩০ ভাগ হাসপাতালে অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা নেই।’ বুধবার (১০ জুলাই) সংসদে লুৎফুন নেসা খানের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকে প্রশ্ন-উত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

সংরক্ষিত আসনের হাবিবা রহমান খানের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের ১৩২টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জটিল মুহূর্তে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করানোর ব্যবস্থা আছে।’

সরকারি দলের অসীম কুমার উকিলের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে সরকারি পর্যায়ে ২০টি উন্নত ও বিশেষায়িত হাসপাতাল রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাত্রা রোধে সরকার সারাদেশে আরও বিশেষায়িত ও উন্নত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছে। বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়সহ চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও সিলেট মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরির ব্যবস্থা নিয়েছে।’

মনজুর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশে ২৩টি স্থল বন্দর রয়েছে। এরমধ্যে ভারতের একটি ২২টি, অন্যটি মিয়ানমারের সঙ্গে। ২০১৮–১৯ অর্থবছরে জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এসব বন্দর থেকে ৭৮ কোটি ৩৬ লাখ ২৮ হাজার টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে।’

মসিউর রহমান রাঙ্গার প্রশ্নের জবাবে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গত পাঁচ বছরে সারাদেশে নদীখনন কাজে ২ হাজার ২৩৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। এই সময়ে মোট ১ হাজার ১৮১ কিলোমিটার নৌপথ খনন করা হয়েছে।’

সরকারি দলের নুর মোহাম্মদের প্রশ্নের জবাবে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহ বলেন, ‘প্রতিবছর হজের জন্য সৌদি আরব যাওয়ার সময়ে হজযাত্রীরা অসাধুচক্রের কবলে পড়ে হয়রানির শিকার হন। এরসঙ্গে কিছু হজ ও ওমরাহ এজেন্সির মালিক জড়িত।’ তবে নীতিমালা অনুযায়ী এসব অসাধু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ আছে বলেও তিনি জানান।