খুচরা লেনদেন ব্যবস্থা ডিজিটাইজ করতে সহায়তা দেবে নেদারল্যান্ডস

গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন নেদারল্যান্ডসের রানী ম্যাক্সিমা

নেদারল্যান্ডসের রানী ম্যাক্সিমা বাংলাদেশে খুচরা লেনদেন ব্যবস্থা ডিজিটাইজ করার প্রস্তাব দিয়ে এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। রানী ম্যাক্সিমা বুধবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সাক্ষাৎ করতে গিয়ে এ প্রস্তাব দেন। সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সংবাদ মাধ্যমকে ব্রিফ করেন।

রানী বলেন, ‘তিনি বাংলাদেশে ১৫টি শিল্প, ই-কমার্স ও আই-পে পরিদর্শন করেছেন। তিনি এই খাতে অগ্রগতি ও মোবাইল ফোনের ব্যাপক ব্যবহারের  প্রশংসা করেন এবং এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সহায়তা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

ম্যাক্সিমা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশে ব্যাপক অগ্রগতি হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। তাই আমাদের উন্নয়ন প্রয়োজন।’

সব উন্নয়ন তৃণমূল থেকে শুরু হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে গ্রামীণ জনগণের উন্নয়ন এবং নারীর ক্ষমতায়ন।’

তিনি বলেন, ‘সরকার ডিজিটাইজেশনকে উৎসাহিত করছে। কিন্তু এই ব্যবস্থার সুরক্ষা প্রয়োজন।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এরইমধ্যে ডিজিটাইজেশন প্রক্রিয়া সম্প্রসারণে ৫১৭৪টি ডিজিটাল কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে নারীরা সেবা পাওয়ার জন্য গিয়ে থাকেন।’ তিনি বলেন, ‘আমরা এখন ডিজিটাল সিস্টেমের দিকে যাচ্ছি এবং ধাপে ধাপে এটি সম্পন্ন হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে ২ দশমিক ০৩ কোটি ছাত্রছাত্রী সরকারি বৃত্তি পাচ্ছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতনের অর্থ ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহার করে হস্তান্তর করা হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ এখন ১৫০ মার্কিন ডলারেরও কম দামে স্মার্টফোন পাচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান এবং ঢাকায় নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বাসস