সৈয়দ মার্গুব মোরশেদ বলেন, ‘স্বল্পমাত্রার দূষণও পরবর্তী সময়ে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হতে পারে। আমরা যদি সত্যিকার অর্থেই মার্কারি বিষক্রিয়া বন্ধ করতে চাই, তাহলে আমাদের এর উৎপত্তি স্থল থেকে মার্কারি নিষিদ্ধ করার পদক্ষেপ নিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘থার্মোমিটার, ইলেকট্রিক সুইচ, রিলে, সিএলএফ বাল্ব, ডেল্টা অ্যামালগাম, প্রসাধনী, গয়না, ফার্মাসিউটিক্যালসসহ অনেক পণ্যে মার্কারি রয়েছে। অজৈব মার্কারি কিছু স্কিন লাইটেনিং পণ্যে প্রচুর পরিমাণে ব্যবহার করা হয়, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। মার্কারির ব্যবহারে, বিষণ্নতা, আত্মহত্যাপ্রবণতা, পক্ষাঘাত কিডনি ফেইলিউর ইত্যাদি রোগ সৃষ্টি করে।’
পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. একেএম রফিক আহমদ বলেন, ‘যেসব জনগোষ্ঠী মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে, তারা প্রতিনিয়ত এই মারাত্মক ক্ষতির মার্কারির শিকার হচ্ছে। আমাদের উচিত তাদের এই ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা। পণ্যগুলোতে মার্কারির মাত্রা হ্রাস করার জন্য অথবা মার্কারিযুক্ত পণ্য ব্যবহার বন্ধ করার জন্য এখনই পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।’
গোলটেবিল বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এসএম মঞ্জুরুল হান্নান খান, পরিবেশ অধিদফতরের এমআইএ প্রকল্প পরিচালক মাসুদ ইকবাল মো. শামীম, এসডো মহাপরিচালক ড. শাহরিয়ার হোসেন, নির্বাহী পরিচালক সিদ্দিকা সুলতানা প্রমুখ।