সমাবেশে বক্তারা বলেন, ইজি ফ্যাশনস কারখানার শ্রমিক সাঈদকে ২৪ জুলাই দিবাগত রাত থেকে কারাখানা মালিক নির্যাতন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে আসছিলেন শ্রমিকরা। শ্রমিকদের কথায় প্রশাসন কর্ণপাত না করায় শ্রমিকরা ঢাকার ডিআইটি সড়ক অবরোধ করেন। এক পর্যায়ে পুলিশ কারখানার ভেতর থেকে শ্রমিক সাঈদের মৃতদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নেয়। এ সময় মালিক পক্ষের সঙ্গে যোগসাজশে কেউ কেউ শ্রমিক সাঈদের বিরুদ্ধে কারখানার সামান্য কাপড় চুরি ও ‘গণপিটুনির’মিথ্যা কাহিনি প্রচার শুরু করে।
বক্তারা প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘‘একজন শ্রমিক নিজ কারখানার অভ্যন্তরে খুন হলে সেটা কিভাবে ‘গণপিটুনির’ঘটনা হয়? আর এই কথা কীভাবে দেশের প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যম প্রচার করে?’’
তারা আরও বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির স্মরণকালের ভয়াবহতম অবনতি ঘটেছে। মালিক, ক্ষমতাবান ব্যক্তি, পুলিশ কিংবা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যারাই সমাজে কিছুটা ক্ষমতাধর, তারাই মানুষকে মেরে ফেলতে দ্বিধা করছেন না। তারা আবার গল্প সাজিয়ে হত্যার অপরাধ থেকে দায়মুক্তিও পেয়ে যাচ্ছেন।
তারা বলেন, আগামী ৪ আগস্টের মধ্যে গার্মেন্ট শ্রমিকদের বেসিকের সমান ঈদ বোনাস ও জুলাই মাসের মজুরিসহ সব বকেয়া পরিশোধ করতে হবে।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক জলি তালুকদার ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন প্রমুখ।