স্টেশন সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে রেলস্টেশন থেকে পশ্চিমাঞ্চলগামী আন্তঃনগর সব ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি চলছে। স্টেশনে একটি নারী কাউন্টারসহ ৯টি কাউন্টারে একযোগে টিকিট বিক্রি চলছে। যাত্রীরা লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কিনছেন। প্রতিটি লাইন দীর্ঘ আকার ধারণ করেছে।
কমলাপুর স্টেশন থেকে বিক্রি হচ্ছে পশ্চিমাঞ্চল তথা রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের জেলাগুলোর ট্রেনের টিকিট। বিমানবন্দর স্টেশন থেকে বিক্রি করা হচ্ছে চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীগামী ট্রেনের টিকিট। তেজগাঁও থেকে ময়মনসিংহ ও জামালপুর ট্রেনের টিকিট। বনানী থেকে নেত্রকোনা ও মোহনগঞ্জগামী ট্রেনের টিকিট। সিলেট ও কিশোরগঞ্জগামী ট্রেনের টিকিট দেওয়া হচ্ছে ফুলবাড়িয়ার পুরাতন রেল ভবন থেকে।
এ বছর কমলাপুর ছাড়াও আরও চারটি স্থান থেকে টিকিট বিক্রি হচ্ছে। যার কারণে এবার কমলাপুরে ভিড় কিছুটা কম। তবে নারীদের জন্য একটি কাউন্টার থাকায় তাদের বেশি ভোগান্তি হচ্ছে।
মোহাম্মদপুর থেকে খুলনার টিকিট নিতে আসা রবিন্দ্র কুমার বলেন, টিকিটের অনেক চাহিদা। রাত ১২টায় লাইনে দাঁড়িয়েছি, সকাল ১০টায় ৪টি টিকিট পেয়েছি। তবে টিকিট পেয়ে ভালো লাগছে। মা-বাবাকে সঙ্গে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে ঈদ করবো।
কমলাপুর রেলস্টেশনের ম্যানেজার মোহাম্মদ আমিনুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ব্যবস্থাপনা অনেক ভালো। কোনও সমস্যা নেই। এবার ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ করতে দেওয়া হবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঈদযাত্রার পাঁচ দিনে প্রায় দেড় লাখ অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হবে। যার ৫০ শতাংশ বিক্রি হবে অনলাইন ও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে। বাকি টিকিট বিক্রি হবে কাউন্টারে। প্রতিদিন ২৬ হাজারের মতো টিকিট বিক্রি হবে।’