জেনেভায় নির্যাতনবিরোধী জাতিসংঘ কমিটিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রাথমিক প্রতিবেদনে মঙ্গলবার মন্ত্রী বলেন, ‘কনভেনশন বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ফৌজদারি বিচারব্যবস্থা শক্তিশালীকরণে ডিজিটাল সরঞ্জামাদি ব্যবহারে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। এছাড়া আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সর্বশেষ প্রযুক্তির ব্যবহার, ব্যাপক প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত সংস্কারের প্রয়োজন এবং নাগরিক ও সরকারি কর্মকর্তা বিশেষত আইন প্রয়োগকারী ও বিচার বিভাগের সদস্যদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিও এই চ্যালেঞ্জর মধ্যে রয়েছে।’
আইনমন্ত্রী তার প্রতিবেদনে বলেন, ‘২০০৯ সাল থেকে বাংলাদেশ জনগণের সব ধরনের মানবাধিকার সুরক্ষার একটি সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টিতে সম্পূর্ণ শক্তি নিয়োজিত করেছে। আমরা স্বীকার করি যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশকে যেভাবে একটি ক্ষুধা, শোষণ ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছিলেন তা এখনও পূরণ করতে পারিনি। এই চ্যালেঞ্জকে গুরুত্ব দিয়ে তা মোকাবিলায় আমাদের বহুদূর যেতে হবে। তবে আমরা সকল নাগরিকের মানবাধিকার নিশ্চিতের স্বপ্ন বাস্তবায়নে অঙ্গীকারাবদ্ধ।’
আনিসুল হক বলেন, ‘যেকোনও মূল্যে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা মোকাবিলায় বাংলাদেশ কঠোর নীতি বজায় রেখেছে। আমরা সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতার সব ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছি এবং দোষীদের বিচারে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নিয়েছি। একইভাবে সরকার সর্বস্তরের জনগণের মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতে নাগরিক সমাজ ও ব্লগারদের সুরক্ষায় সচেষ্ট রয়েছে।’
আইনমন্ত্রী এ বৈঠকে ১৯ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এই প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী কনভেনশনের (ইউএনসিএটি) কাছে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন তিনি। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, আইন বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মোহাম্মদ শহীদুল হক এবং পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক এ সময় উপস্থিত ছিলেন। সূত্র- বাসস