পোশাক খাতে ৩০ শতাংশ চাকরি কমে যাওয়ার আশঙ্কা: এটুআই





এটুআইঅটোমেশনের কারণে বাংলাদেশের শ্রমঘন তৈরি পোশাক শিল্পে আগামী ১০ বছরে ৩০ শতাংশ কর্মসংস্থান কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। সরকারি সংস্থা এটুআই-এর এক গবেষণা এমনটাই বলছে। বর্তমানে এই খাতে ৩৫ লাখ কর্মী কাজ করেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, শুধু তৈরি পোশাক শিল্পেই নয়, অটোমেশনের প্রভাব পড়বে ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি খাত, চামড়া ও পাদুকা খাত, অ্যাগ্রো-ফুড ও ফার্নিচার খাতেও।
গবেষণা অনুযায়ী আগামী ১০ বছরে ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি খাতে ২০ শতাংশ, চামড়া ও পাদুকায় ৩৫ শতাংশ, অ্যাগ্রো-ফুডে ৪০ শতাংশ এবং ফার্নিচার খাতে ৬০ শতাংশ কর্মসংস্থান কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
এটুআই-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রবিবার (৪ আগস্ট) রাজধানীতে হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘ন্যাশনাল কনসালটেশন অন ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড ফিউচার অব ওয়ার্ক’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ও ভবিষ্যত পেশা নিয়ে ‘ফিউচার স্কিলস ফাইন্ডিং ইমার্জিং স্কিলস টু ট্যাকেল দ্য চ্যালেঞ্জেস অব অটোমেশন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি গবেষণা প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
৫টি বিশেষায়িত খাতের ওপর চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রভাব ও ভবিষ্যৎ কর্মদক্ষতা বিষয়ক নিবিড় গবেষণা করেছে এটুআই। এতে দেখা গেছে, ৫টি সেক্টরে অটোমেশনের ফলে কর্মীরা চাকরি হারাবেন। তবে পাশাপাশি প্রযুক্তিভিত্তিক নতুন নতুন পেশায় চাকরির সুযোগও তৈরি হবে।
এ গবেষণার আলোকে বাংলাদেশ সরকারের প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ জনবল উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন নতুন ট্রেড পেশায় মনোনিবেশ করা প্রয়োজন। আগামীতে এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইন্ডাস্ট্রিগুলোতে প্রযুক্তি পরিবর্তনের সঙ্গে সরকারের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তৈরি থাকতে হবে।
অনুষ্ঠানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, ইউএসএইড এবং ইউএনডিপি’র সহায়তায় এটুআই পরিচালিত হয়।