সোমবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর মহাখালীতে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র (আইসিডিডিআরবি) আয়োজিত কৈশোরে ‘নন কমিউনিকেবল ডিজিজ’ প্রতিরোধ বিষয়ে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘সবার সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। এজন্য আমাদের খাদ্যাভ্যাসেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে। শিশু-কিশোরদের ফাস্ট ফুড এবং জাঙ্কফুডের প্রতি আগ্রহ কমিয়ে আনতে হবে। তাদের পরিমিত পুষ্টি ও সুষম খাবার নিশ্চিত করতে হবে। জনসাধারণকে ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য নিশ্চিত করতে বাজার মনিটরিং জোরদার করা হচ্ছে। যাতে মানুষ সাধ্যের মধ্যে ক্রয় করতে পারে। সব ক্ষেত্রেই আমাদের সচেতনতার কোনও বিকল্প নেই, খাবারের পুষ্টি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তরকারি নির্ণয় এমনকি রান্নার ক্ষেত্রে কত তাপমাত্রায় এটি রান্না হলো সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।’
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক প্রফেসর ডা. এএইচএম. এনায়েত হুসাইন, ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের প্রফেসর সারা হকিস এবং আইসিডিডিআরবি’র সিনিয়র ডিরেক্টর ড. শামস এল আরিফিন উপস্থিত ছিলেন।