বিষয়টি বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদ আহসান।
তিনি জানান, সকাল ১১টার দিকে আমাদের চলমান চিরুনি অভিযানের অংশ হিসেবে বারিধারা এলাকায় অভিযান শুরু করি। এ সময় আমাদের সামনে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাড়ি পড়ে। আমরা প্রবেশ করতে চাইলে অনুমতি মেলেনি। তখন মন্ত্রী বাসায় ছিলেন না। দায়িত্বরতরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছেন, তবে তা সম্ভব হয়নি। পরে আমরা চলে আসি।
অভিযানে স্থানীয় কাউন্সিলর জাকির হোসেন বাবুল উপস্থিত ছিলেন।
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে একাধিকবার ফোন করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।