সৈয়দ আবুল মকসুদ আরও বলেন, ‘প্রভাবশালী ও শিল্পপতিরা নদী দখল করে রাখেন। তাদের সার্বিক সহযোগিতা দেন সরকারের লোকেরা। তাদের লোভ-লালসার কারণে নদী দখল হয়ে যায়, ক্যাসিনোর মতো খেলা চলে। শুধু পরিবেশবাদীদের আন্দোলনে নদী বাঁচানো যাবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘দেশের নদী কমিশন ৪২ হাজার ৪২৩টি নদী দখলকারীর তালিকা করেছে। আমার মনে হয়, এই সংখ্যা ৫০ হাজারেরও বেশি। এখন এই তালিকায় ও তালিকার বাইরে যারা আছেন, সব দখলকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।’
মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি মো. আনেয়ার সাদাত, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।