দুই-এক দিনের মধ্যে পেঁয়াজের মূল্য কমতে শুরু করবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি (ছবি: ফোকাস বাংলা)

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, মিয়ানমার থেকে আজও ৪৮৩ টন পেঁয়াজ টেকনাফে এসে পৌঁছেছে। মিয়ানমার থেকে আজ আরও একটি লট আসবে। সেটির পরিমাণ হবে ৪০০ থেকে ৫০০ টন। প্রতিদিনই মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আসছে। এছাড়া তুরস্ক থেকেও আসতে শুরু করেছে। কাজেই দুই-এক দিনের মধ্যেই পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করবে।
বুধবার (২ অক্টোবর) সচিবালয়ের নিজ সভাকক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সেখানে বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভারত প্রথমে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিলো। পরবর্তীতে তারা রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে। এই সংবাদে কিছু সুযোগসন্ধানী ব্যবসায়ী পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। কারা কারা এই কাজ করেছে, সে ব্যাপারে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। এর জন্য মনিটরিং টিম কাজ করছে।’
টিপু মুনশি আরও বলেন, ‘উৎপাদন বাড়ানো ছাড়া এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের কোনও পথ নেই। তবে এক্ষেত্রে ক্রেতাদেরও সচেতনতা প্রয়োজন। ভারত পেঁয়াজ রফতানি করবে না, এই সংবাদ পেয়ে ক্রেতারা যেভাবে পেঁয়াজ কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন, সেটিও অস্বাভাবিক দাম বাড়ার একটি কারণ।’
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে ৪২-৪৩ টাকা কেজিদরে পেঁয়াজ আনা হচ্ছে। এর সঙ্গে পরিবহন খরচ এবং ব্যবসায়ীদের মুনাফা যুক্ত করে সর্বোচ্চ এর দাম হতে পারে ৫০-৫৫ টাকা। এর বেশি হওয়ার কোনও যৌক্তিক কারণ নেই। ব্যবসায়ীরা যে দাম বাড়িয়েছে, তা পুরোপুরি অযৌক্তিক।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘হিলি স্থলবন্দর থেকে টিসিবি ভারতীয় পেঁয়াজ ৬০ টাকা কেজিদরে কিনে এনে ১৫ টাকা ভর্তুকি দিয়ে ৪৫ টাকা কেজিদরে বিক্রি করছে। টিসিবির বিক্রির কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হবে কিনা, তা ভেবে দেখা হচ্ছে।’