‘তথ্য অধিকার আইন নিঃসন্দেহে একটি উত্তম আইন’

তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ এর ১০ বছর পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠানডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী বলেছেন, ‘তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ নিঃসন্দেহে একটি উত্তম আইন। এই ধরনের আইন নিয়ে কনভেনশন শুধু ঢাকায় করলে হবে না। মানুষের অবগতির জন্য দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ছড়িয়ে দিতে হবে। যাতে গ্রামের সব জনগণও এই আইন সম্পর্কে জানতে পারে।’

মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ প্রবর্তনের ১০ বছর পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ( এমজেএফ ) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

দিনব্যাপী এ আয়োজনের উদ্বোধন করে ফজলে রাব্বি মিয়া বলেন, ‘এই আইনের মাধ্যমে দেশের সব ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। তথ্য অধিকার সুশাসনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সরকারি কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হয়। শুধু তাই নয়,এর মাধ্যমে নাগরিকদের উপকার হয়, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায় এবং দুর্নীতি কমে যায়।’

তিনি আরও বলেন, এই আইন জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশনে পাস হয়েছিল। প্রতি বছর এ ধরনের একটি কনভেনশনে আয়োজন করা যায়, তাহলে এর মাধ্যমে তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে আমরা আরও বেশি জানতে পারবো।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে  প্রধান তথ্য কমিশনার মর্তুজা আহমেদ বলেন, ‘এই আইন করার মূল লক্ষ্যই ছিল আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি হ্রাস ও জনগণের ক্ষমতায়ন করা। এই তথ্যের অধিকার আমাদের সংবিধানেই লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে ৩০০ জনের বেশি তথ্য অধিকার সমর্থক, কর্মী ও অনুশীলনকারী  উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান স্থলে ১৪টি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) তথ্য অধিকার বিষয়ক স্টল রয়েছে।

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ( এমজেএফ ) এর নির্বাহী পরিচালক ও তথ্য অধিকার ফোরামের আহ্বায়ক শাহীন আনামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন  ডিএফআইডি বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ জুডিথ হার্বেটসন, বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. মার্সি মিয়াং টেম্বন প্রমুখ।