বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৩ সদস্যের ডেল্টা কোয়ালিশনের বাকি সদস্যরা বাংলাদেশের এই প্রস্তাবকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছে।
জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন, টেকসই ডেল্টা ব্যবস্থাপনা, ডেল্টা প্রকল্পে অর্থায়ন প্রভৃতি বিষয়ে টোকিওতে গত সোমবার থেকে মঙ্গলবার (২৮-২৯ অক্টোব) ২ দিনব্যাপী এই কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক নেতৃত্বে ৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এতে যোগ দেয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ডেল্টা কোয়ালিশন সচিবালয় স্থাপনে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৬.৮৩ কোটি টাকা। বাৎসরিক পরিচালন খাতে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১০ কোটি টাকা।
এতে বলা হয়, সচিবালয় স্থাপনের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে টার্মস অব রেফারেন্স সংশ্লিষ্ট আরও তথ্য দিতে সদস্য রাষ্ট্রগুলো অনুরোধ জানিয়েছে। বাংলাদেশে ডেল্টা কোয়ালিশন সচিবালয় স্থাপিত হলে ডেল্টা ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তি, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সহজ হবে। যা ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।