অনুষ্ঠানে ভারত ও রাশিয়ার বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ইন্দিরা গান্ধী ও ভারতীয় জনগণ এবং ভারতীয় মিত্রবাহিনী বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যে সহায়তা করেছে তা বিশ্বে বিরল।
মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূমিকার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিকে যখন বাংলাদেশের বিজয় অবশ্যম্ভাবী তখন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্র অস্ত্র বিরতির প্রস্তাব তুললে সোভিয়েত ইউনিয়ন তাতে ভেটো দেয়। চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান বাহিনীর পুঁতে রাখা মাইন অপসারণ করতে গিয়ে কয়েকজন সোভিয়েত সেনা নিহত হন। রক্তের বিনিময়ে ভারত, রাশিয়া আর বাংলাদেশের যে বন্ধন সৃষ্টি হয়েছে তা কখনও শিথিল হবে না।
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সচিব এস এম আরিফ-উর-রহমানসহ ভারতীয় হাইকমিশন, রাশিয়ান দূতাবাস, মুক্তিযুদ্ধ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, ভারত ও রাশিয়ার প্রতিনিধি দলটি মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে গত ১৪ ডিসেম্বর দেশে আসেন। সফরকালে তারা বিজয় দিবসের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ভারতীয় প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) রাজেন্দ্র সিং কায়দান। রুশ দলের নেতৃত্ব দেন ভাসিলি মিহালোভিচ।