রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কৃষি সচিব মো. নাসিরুজ্জামানের সঞ্চালনায় মাসিক (ডিসেম্বর) এডিপি সভায় এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘ডাল ও তেল উৎপাদন বাড়াতে আরও গুরুত্ব দিতে হবে। ক্রমান্বয়ে ডাল ও তেল রফতানি কমিয়ে আনতে হবে। অবকাঠামো নির্মাণে বিল্ডিং কোডসহ অন্যান্য নিয়ম যথাযথভাবে পালন করতে হবে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে প্রকল্প ও মাঠপর্যায় পরিদর্শন করে কাজের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং এর প্রতিফলন জানাতে হবে। সব পর্যায়ের অফিসারদেরও নিয়মিত মাঠ পরিদর্শনে যেতে হবে।’
আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘কোন কোন পাটজাত পণ্য বাজারজাত করা যায় তা নির্ণয় করতে হবে। পাটের বহুমুখী ব্যবহারের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।’ রাজধানীর মানকি মিয়া এভিনিউয়ে কৃষকের হাটে যেসব নিরাপদ সবজি বিক্রি হচ্ছে সেসব সবজি যে জমিতে উৎপন্ন হয়েছে তার মাটি পরীক্ষা করে ফলাফল নির্ণয়েরও নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
এ সময় সভায় উপস্থিত বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) চেয়ারম্যান জানান, তার প্রতিষ্ঠান থেকে জমিতে যেসব সেচ পাম্প বসানো হয়েছে তা এখন অ্যাপস এর মাধ্যমে বন্ধ ও চালু করা হচ্ছে। আগামী বছর মুজিববর্ষে বাংলাদেশের সব সেচে পাম্প অ্যাপস এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হবে যা প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে উদ্বোধন করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সভায় মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকরা এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।