বিশ্বব্যাপী জন্মগ্রহণ করা শিশুদের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি শিশুর জন্ম হবে যে আটটি দেশে। সেগুলো হলো– ভারত (৬৭,৩৮৫); চীন (৪৬,২৯৯), নাইজেরিয়া (২৬,০৩৯), পাকিস্তান (১৬,৭৮৭), ইন্দোনেশিয়া (১৩,০২০), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (১০,৪৫২), গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গো (১০,২৪৭) ও ইথিওপিয়া (৮,৪৯৩)।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর বলেন, ‘নতুন একটি বছর এবং নতুন একটি দশকের সূচনা কেবল আমাদের ভবিষ্যতের জন্য নয়, আমাদের পরে যারা আসবে তাদের ভবিষ্যতের প্রতি আমাদের আশা ও আকাঙ্ক্ষাগুলো প্রতিফলিত করার সুযোগ। প্রতি জানুয়ারিতে ক্যালেন্ডারের বদলে যাওয়া আমাদের প্রতিটি শিশুর জীবনের যাত্রা শুরুর বিষয়ে– যদি তাদের শুধু সেই সুযোগ দেওয়া হয়– সব ধরনের সম্ভাব্যতা ও সম্ভাবনার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।’
নববর্ষের দিনটি বিশ্বজুড়ে শিশুদের জন্মগ্রহণের জন্য শুভদিন বিবেচনা করে ইউনিসেফ এটি উদযাপন করে। তবে বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ নবজাতকের জন্য তাদের জন্মের এই দিনটি খুব একটা শুভ হয়ে দেখা দেয় না কোনও কোনও সময়– এই শঙ্কা জানিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৮ সালে ২৫ লাখ নবজাতক তাদের জীবনের প্রথম মাসেই মারা যায়। তাদের প্রায় এক তৃতীয়াংশ জীবনের প্রথম দিনেই মারা যায়।
ইউনিসেফের ‘এভরি চাইল্ড অ্যালাইভ’ প্রচারাভিযান যথাযথ প্রশিক্ষণসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের পেছনে জরুরি বিনিয়োগের আহ্বান জানায়। তারা গর্ভাবস্থা, প্রসব এবং জন্মকালীন জটিলতাগুলো প্রতিরোধে ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এবং প্রত্যেক মা ও শিশু যাতে একজোড়া নিরাপদ হাতের যত্নে থাকে তা নিশ্চিত করতে সঠিক ওষুধ নিয়ে তৈরি থাকেন।