তথ্যমন্ত্রী বলেন, গত শতকে মানুষ চাঁদে পৌঁছেছে, এই শতকে মঙ্গল গ্রহে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। এই পৃথিবীতে ক্ষুধা-দারিদ্র থাকার কথা নয়। কিন্তু এখনও বিশ্বে প্রতি ১০ জনে পাঁচ জন খাবার নষ্ট করে আর চার জন ভরপেট খাবার পায় না। এ অশান্তি দূর করতে লেখক দিবসের স্লোগান ‘শান্তির পৃথিবী চাই’ অত্যন্ত সময়োপযোগী।
‘বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ চাই’ স্লোগানটি এই দিবসে যুক্ত করায় রাইটার্স ক্লাবকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে তার কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ অদম্য গতিতে এগিয়ে চলছে। আমরা ইতোমধ্যে ক্ষুধাকে জয় করেছি, দারিদ্রকেও পেছনে ফেলে এগিয়ে চলছি। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে শুধু অর্থনৈতিকভাবে উন্নত রাষ্ট্রই নয়, জাতিগতভাবেও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চান। সেক্ষেত্রে কবি, লেখক ও সংস্কৃতিকর্মীদের ভূমিকা অনন্য।
বাংলাদেশ রাইটার্স ক্লাবের সভাপতি কবি মুহম্মদ নূরুল হুদার সভাপতিত্বে কবি ও লেখকদের মধ্যে সাবেক এমপি কাজী রোজী, স ম শামসুল আলম, ঝর্ণা রহমান, নাহিদা আশরাফী, রাইটার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহমেদ দুলাল, সোহাগ সিদ্দিকী, রিশাদ হুদা, জাহাঙ্গীর ফিরোজ, নাহার ফরিদ খান, নাসিমা রহমান শিউলি, নূরিতা নূসরাত, নাসরিন ইসলাম প্রমুখ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।