পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাস্তা, বিভিন্ন ইউটিলিটি সার্ভিস ও ভবন নির্মাণ, পুনর্নির্মাণ ও মেরামত কার্যক্রম চলার সময়ে অস্থায়ী বেষ্টনী দিয়ে নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখার বিষয়টি নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়াও এসব কাজ নির্দিষ্ট সময়ে সমন্বয়ের মাধ্যমে বাস্তবায়ন, দ্রুততম সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা মেরামত এবং নির্মাণকাজ চলার সময়ে পর্যাপ্ত পানি ছিটানোর বিষয়টিও প্রকল্প প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ট্রাক বা লরিতে উন্মুক্ত অবস্থায় বালু, মাটি, সিমেন্টসহ অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রী পরিবহনের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাছাড়া রাস্তার পাশে পৌরবর্জ্য সংরক্ষণ ও পোড়ানো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করার ব্যবস্থাও নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ইটভাটাসহ পরিবেশ দূষণকারী ধোঁয়া নিঃসরণকারী যানবাহনগুলো বন্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার বিষয়টিও নীতিমালায় অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অধিক পুরাতন এবং তুলনামূলক বেশি নিঃসরণকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে নিঃসরণ করারোপ, রাজউকের ভবনের নকশা অনুমোদনের সময় বায়ু দূষণরোধে শর্তারোপ করা, হাতে ঝাড়ু দিয়ে রাস্তা পরিষ্কারের পরিবর্তে ভ্যাকুয়াম সুইপিং ট্রাক ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কলোনির ময়লা ও বর্জ্য রাস্তায় ফেলা ও পোড়ানো বন্ধ করা, চিকিৎসা বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮ কঠোরভাবে প্রয়োগের বিষয়টি নীতিমালায় অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সচিব জিয়াউল হাসানের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ) মাহমুদ হাসান, অতিরিক্ত সচিব (জলবায়ু পরিবর্তন) মিজানুল হক চৌধুরী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্ মো. ইমদাদুল হক, পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. এ, কে, এম রফিক আহাম্মদসহ কমিটির সদস্য হিসেবে বিভিন্ন দফতর ও সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।