সংসদে কোম্পানি (সংশোধন) বিল-২০২০ পাসের আগে জাতীয় পার্টির সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ আলোচনায় পরিকল্পনামন্ত্রীর কচুরিপানা সংক্রান্ত বক্তব্যটি তোলেন।
এ বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু বলেন, আজ থেকে ৪০/৫০ বছর আগে ঢাকায় কেউ কচুর লতি খেতো না। কিন্তু এখন কচুর লতি খুব সুস্বাদু খাবার। এটি তরকারি হিসেবে খাওয়া হচ্ছে। আমরা চা খাই, চা পাতা দিয়ে। নতুন কনসেপ্ট এসেছে পাটের পাতা থেকে চা পাতা। তিনি বলেন, দিন তো বদলাচ্ছে। প্রতিদিন নতুন নতুন চিন্তা আসছে। আগে মাশরুম দেখলে বলা হতো হারাম খাবার, ব্যাঙের ছাতা। হয়তো এমন দিন আসবে কচুরিপানা থেকেও খাবার বের হবে। ওয়েট ফর দ্যাট।
এর আগে সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) হাস্যরস করে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘কচুরিপাতা নিয়ে গবেষণা করুন। কচুরিপানার পাতা খাওয়া যায় না কোনো মতে? গরু তো খায়। গরু খেতে পারলে আমরা খেতে পারব না কেন?’ এরপরই তা ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়। তবে ওই অনুষ্ঠানে মন্ত্রী কচুরিপানা খেতে নয়, এটি নিয়ে গবেষণা করতে কৃষি গবেষকদের আহ্বান জানান। আর একদিন পর এ নিয়ে সংসদে আলোচনা হয়।