ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) চালু করায় ইসিকে সাধুবাদ জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ইভিএম আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ করার জন্য গবেষণা করতে হবে। এই পদ্ধতিকে আরও আধুনিক ও ত্রুটিমুক্ত করতে হবে। ভবিষ্যতে এমন পদ্ধতি উদ্ভাবন করতে হবে, যাতে মানুষ ঘরে বসে অনলাইন ভোট দিতে এবং তার ভোটটি কোথায় পড়লো তা নিশ্চিত হতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, কোন কেন্দ্রে কত ভোট পড়েছে, যারা ভোট দিয়েছেন তাদের ছবি ও আইডি নম্বর অনলাইনে প্রকাশ করা যায় কিনা সে বিষয়ে চিন্তাভাবনা করতে হবে। এতে ভোটারের সংখ্যা ও উপস্থিতি নিয়ে সংশয় থাকবে না। যিনি ভোট দেবেন তাকে একটি কনফারমেশন স্লিপ দেওয়া যায় কিনা সেই বিষয়েও চিন্তাভাবনা করা যেতে পারে।
নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ করে আইনমন্ত্রী বলেন, নির্ভুল ভোটার তালিকা করে জনগণের আস্থা ধরে রাখতে হবে। কোনও অবস্থাতেই রোহিঙ্গা বা অন্য দেশের নাগরিক যাতে বাংলাদেশের ভোটার হতে না পারে সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।
আলোচনা সভায় নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেন, ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ইচ্ছা অনুযায়ী ভোট দিতে পারলেই জাতীয় ভোটার দিবস পালনের উদ্দেশ্য সফল হবে। তিনি বলেন, ভোট জনগণের পবিত্র আমানত। এই আমানত যাতে লুণ্ঠিত না হয়, সেজন্য নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য হওয়া প্রয়োজন। এজন্য নির্বাচন প্রক্রিয়া সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি ভোটারদের ভোটবিমুখতা লক্ষ করা যাচ্ছে। এটি গণতন্ত্রের জন্য অশনি সংকেত। এর কারণ বিশ্লেষণ করে প্রতিকারের প্রচেষ্টা চালানো প্রয়োজন। ভোটারদের আস্থার সংকট মোচন করতে হবে। এ সময় নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, শাহাদাত হোসেন চৌধুরীও বক্তব্য দেন।