মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ঢাকায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. সেলিম হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী জানান, ভূমিকম্প সহনীয় ভবন ও স্থাপনা নির্মাণে দেশের স্থপতি ও প্রকৌশলীদের জাপানে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্বে দুর্যোগ সহনীয় জাতি হিসেবে বাংলাদেশ এখন রোল মডেল। জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন বাংলাদেশ সফরকালে বলেছেন দুর্যোগ কীভাবে মোকাবিলা করতে হয় তা বাংলাদেশের কাছে সারা বিশ্বের শেখার আছে।
ডা. মো. এনামুর রহমান বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় পূর্ব প্রস্তুতির ওপর আমরা অনেক বেশি গুরুত্বারোপ করেছি। অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনার লক্ষ্যে মানুষজনকে সচেতন করতে আমরা সারা বছরই দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মহড়ার আয়োজন করছি। পাশাপাশি সচেতনতা বাড়াতেও কাজ চলছে।
এসময় অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্পে উদ্ধার কাজের জন্য ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সক্ষমতা বাড়াতে আরও এক হাজার ৭০০ কোটি টাকার উদ্ধার সামগ্রি ক্রয় করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
এবার জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাসে পূর্বপ্রস্তুতি, টেকসই উন্নয়ন আনবে গতি’। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলাম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. মহসিন এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের মহাপরিচালক প্রমুখ।