করোনা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এবং ৫টি সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা। তিনি বলেন, ২/১ দিন পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা অনুষ্ঠান শেষে নির্বাচন ভবন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আগামী ২১ মার্চ ঢাকা-১০, গাইবান্ধা-৩, বাগেরহাট-৪ আসনের উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এছাড়া আগামী ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচন এবং বগুড়া-১ ও যশোর-৬ আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
করোনার কারণে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন বাতিল করে দিয়েছে, এ অবস্থায় দেশের নির্বাচন বন্ধ হবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে কেএম নূরুল হুদা বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা নির্বাচন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেইনি। আরও ২-১টা দিন দেখি। কারণ নির্বাচনের ব্যাপক প্রস্তুতি শেষের দিকে। প্রার্থীরা বলেছে, তারা সাবধানে প্রচারণা করবে, কিন্তু নির্বাচন যেন বন্ধ না হয়ে যায়।
২১ মার্চের নির্বাচন করা এখনও ইসির চিন্তায় আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যদি পরিস্থিতি একেবারেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তখন অবশ্যই আমরা বিবেচনা করবো। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমরা চাচ্ছি নির্বাচনটা হয়ে যাক।
এদিকে করোনা ভাইরাসের কারণে জাতির জনকের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানেও রদবদল এনেছে ইসি। মঙ্গলবার আলোচনা সভা, জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও মিলাদ মাহফিল আয়োজন করেও তা স্থগিত করা হয়। শুধুমাত্র সিইসি ও চার কমিশনার, ইসির সিনিয়র সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কেক কেটে জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করেন।