তিনি দাবি করেন, ট্রিটমেন্ট করার পরে নদীতে যে পানি যাচ্ছে তা প্রায় ওয়াসার পানির মতো স্বচ্ছ হবে। এটি পান করার উপযোগী না হলেও তা দূষিত থাকবে না।
খালিদ মাহমুদ বলেন, বুডিগঙ্গাসহ ঢাকার চারপাশে যে নদীগুলো আছে তা বিভিন্ন কারণে দূষিত হয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৯ সালে বুড়িগঙ্গার পানির দূষণরোধে পদক্ষেপ শুরু করলেও বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় আসার পর তার ধারাবাহিকতা ছিল না। ফলে নদীর পানি আরও দূষিত হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নদী রক্ষায় ‘টাস্কফোর্স’ গঠন করে দিয়েছেন। সে অনুযায়ী দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদী রক্ষায় কাজ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদীর দখল ও দূষণরোধে বিআইডব্লিউটিএ কাজ করছে। প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। তীররক্ষা, ওয়াকওয়ে (পায়ে চলার পথ), ইকো-পার্ক এবং জেটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
এসময় করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে প্রয়োজন ছাড়া নৌপথে যাতায়াত সীমিত করার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব অনল চন্দ্র দাস, বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক প্রমুখ।