গত ৫ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোকে চিঠি দিয়ে কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়। মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক শাখা থেকে পুলিশের আইজি, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও আনসারের মহাপরিচালককে ওই চিঠি দেওয়া হয়।
চিঠিতে হাট-বাজার, ব্যবসাকেন্দ্র, দোকানপাট ও শপিংমল সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টার মধ্যে সীমিত আকারে পরিচালনার কথা বলা হয়। এক্ষেত্রে ক্রেতা-বিক্রেতা সবাইকে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে বলা হয়। জনসাধারণের চলাচল সময় সন্ধ্যা ৬টার পরিবর্তে রাত ৮টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়। রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত জরুরি প্রয়োজন যেমন- ক্রয়-বিক্রয়, ওষুধ, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন কিংবা সৎকার ছাড়া কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে না আসার কথা বলা হয়।
জনসাধারণ এবং যান চলাচলে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে জনগণকে অবশ্যই ঘরে অবস্থান করতে হবে। রমজান এবং ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দোকানপাটে ক্রয়-বিক্রয়ের সময় পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। পুলিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তথা সরকারের দেওয়া নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করছে।