এই অর্থ কল্যাণপুর ও সাততলা বস্তিতে থাকা নিম্ন আয়ের অভাবী এক লাখ মানুষকে খাদ্যের জন্য নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় কৃষি উৎপাদনের সঙ্গে বাজারের সংযোগ পুনঃস্থাপন ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে জোরদার করতে ব্যবহার করা হবে।
এদিকে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশি চিকিৎসকদের জন্য ইউএসএআইডি ও স্বাস্থ্য অধিদফতর যৌথভাবে ‘কোভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ এবং রোগী ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ আয়োজন করেছে। আন্তর্জাতিক এনজিও ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেস ফর হেলথ (এমএসএইচ)-এর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত এই প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া চিকিৎসক ও নার্সরা নিজেদের নিরাপত্তা বজায় রেখে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তিদের কার্যকরভাবে চিকিৎসা দেওয়ার মাধ্যমে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া হ্রাসে সহায়তা করতে পারবেন। এই ব্যাচের প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত সর্বমোট এক হাজার চিকিৎসকের প্রশিক্ষণ শেষ হবে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চিকিৎসকগণ তাদের নিজ নিজ কর্মস্থল হাসপাতালে ফিরে গিয়ে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত তিন হাজার নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সেবাদানকারীদের এই বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণ দেবেন।
এছাড়াও ইউএসএআইডি কোভিড-১৯ রোগের ব্যবস্থাপনার উন্নতি ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা জোরদার করা এবং বাংলাদেশে ব্যবহার করা ও বিশ্বব্যাপী রফতানির জন্য মানসম্পন্ন ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) ও অন্যান্য মেডিক্যাল উপকরণ তৈরির লক্ষ্যে নতুন কার্যক্রম গ্রহণ করবে বলে জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের কোভিড-১৯ মোকাবিলায় আর্থিক এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে পেরে গর্বিত। আমি অত্যন্ত খুশি যে, ইউএসএআইডি’র মাধ্যমে নতুন এই তহবিল দিয়ে ঢাকায় বসবাসরত অভাবী ও ক্ষুধার্ত হাজার হাজার মানুষের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব হবে। এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে আমরা কোভিড-১৯ এর প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের চলমান প্রচেষ্টায় আরও একটি উপায়ে অংশীদার হলাম।’
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সহযোগিতা ও মানবিক সহায়তা কর্মসূচির পাশাপাশি গত ৩ মে তারিখে ইউএসএআইডি মিশন ডিরেক্টর ডেরিক ব্রাউন বাংলাদেশের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ১৫৬ মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে একটি সংশোধিত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই কার্যক্রমগুলো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ কোভিড-১৯ এর প্রভাবসহ উন্নয়নের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় সহায়তা করবে এবং দু'দেশের মধ্যে শক্তিশালী অংশীদারিত্বের উদাহরণ হয়ে থাকবে।
আরও পড়ুন:
খাবারের জন্য মোড়ে মোড়ে অপেক্ষা