এতে সভাপতির বক্তব্যে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নূরুল ইসলাম বলেন, ধর্মপ্রতিমন্ত্রী ছিলেন একজন বিশাল ব্যক্তিত্ব ও বিশাল পরিমাপের মানুষ। তিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ছিলেন অত্যন্ত দৃঢ়। তার কর্মপ্রেরণা ছিল অনুকরণীয়। তিনি ২০১৯ সালে অত্যন্ত উন্নতমানের হজ ব্যবস্থাপনা জাতিকে উপহার দিয়েছিলেন। শেখ আব্দুল্লাহ ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক বীর মুক্তিযোদ্ধা, ধর্মপ্রাণ ও অসাম্প্রদায়িক ব্যক্তি। তার অসমাপ্ত কাজগুলো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহবান জানান সচিব।
সভায় সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দার ও এ বি এম আমিন উল্লাহ্ নুরী, শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম ফরিদ উদ্দীন মাসউদ, গওহরডাঙ্গা মাদ্রসার মুহতামিম মাওলানা মুফতি রুহুল আমিন, সৌদি আরবে হজ কাউন্সিলর মাকসুদূর রহমান, হিন্দু-ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব বিষ্ঞুকুমার সরকার, হজ অফিসের পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম, হাবের সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম, হজ অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সভাপতি মাওলানা শরাফুতি, মক্কা আওয়ামী ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোজাম্মেল হক, গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি রুহুল আমীন, জমিয়তুল ফালাহ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা সৈয়দ আবু তালেব মুহাম্মদ আলাউদ্দিন, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা আবদুর রাজ্জাক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
শোকসভা সঞ্চালনা করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আনিস মাহমুদ। সভাশেষে ধর্মপ্রতিমন্ত্রীর রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম আল্লামা ফরিদ উদ্দীন মাসউদ।