কোম্পানি ও ট্রাভেল এজেন্সি আইনের খসড়া অনুমোদন

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মন্ত্রিপরিষদের সভা, ছবি: ফোকাস বাংলাঅনেক ট্রাভেল এজেন্সি রিক্রুটিং এজেন্সি হিসেবে কাজ করলেও এখন আর তারা সেটি করতে পারবে না। করলে তাদের বিরুদ্ধে জরিমানা হবে— এমন বিধান রেখে ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) সংশোধন আইন ২০২০’এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বৈঠকের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন।

বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) সংশোধন আইন ২০২০-এর খসড়া সম্পর্কে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘ট্রাভেল এজেন্সির কাজ টিকিট করে দেওয়া, ভিসা প্রসেসিং নয়। ফলে এখন থেকে ট্রাভেল এজেন্সি আর ভিসার কাজ করতে পারবে না। আর নির্ধারিত সময়ের পর জরিমানা দিয়ে ট্রাভেল এজেন্সি নবায়নের সুযোগ রাখা হয়েছে। এখন থেকে ট্রাভেল এজেন্সি অনুমোদন সাপেক্ষে দেশে ও বিদেশে শাখা অফিস খুলতে পারবে।’

আগে ট্রাভেল এজেন্সি হস্তান্তরের সুযোগ ছিল না। এখন নিবন্ধন সনদ হস্তান্তর এবং শাখা কার্যালয় স্থাপনের বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১১ ধারায় কোনও আইন বা বিধিমালা লঙ্ঘন করলে সর্ব্বোচ ৬ মাস কারাদণ্ড অথবা অনধিক ৫ লাখ টাকা, অথবা উভয়দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘কোম্পানি (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০২০’-এর খসড়াও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নতুন এই আইনে ব্যবসা ও বিনিয়োগ বাড়াতে এক ব্যক্তির কোম্পানি ব্যবস্থার বিধান রাখা হয়েছে। সংশোধিত আইনে এক ব্যক্তির কোম্পানি নিবন্ধন ব্যবস্থাপনার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। শেয়ার হস্তান্তরের ক্ষেত্রে শেয়ার হোল্ডারধারী পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যে শেয়ার হস্তান্তর করতে পারবেন।

এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘সংশোধিত আইনে অনলাইনে যেনো রেজিস্ট্রেশন করা যায়, সেটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এখনকার বিধান অনুযায়ী ১৪ দিনের নোটিশে বোর্ড মিটিং হয়, কিন্তু বিনিয়োগকারীদের অনুরোধে সেটি বাড়িয়ে ২১ দিন করা হয়েছে। কারণ, অনেকে দেশের বাইরে থাকেন, তাদের ভিসাসহ নানা বিষয় রয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই মূলত এটি করা হয়েছে।’