প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধান প্রকৌশলী থেকে নির্বাহী প্রকৌশলী পর্যন্ত সকলকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ সব জায়গায় কর্মকর্তাদের উপস্থিতি, নজরদারি এবং জিও ব্যাগ নিয়ে প্রস্তুতি নিশ্চিত করবে। বাঁধ যাতে না ভাঙে সেদিকে সর্বোচ্চ সতর্কতা রাখতে হবে। অবশ্যই স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক খবর রাখতে হবে।
দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশের সক্ষমতার কথা জানিয়ে পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অতীতের যেকোনও সময়ের চেয়ে দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ এখন শক্তিশালী। উপমন্ত্রী শামীম আরও বলেন, নিজেকে সুরক্ষিত রেখে কাজ করবেন এবং কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে মন্ত্রণালয়কে জানাবেন। বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলে না বরং আগেই আমাদের সকল প্রস্তুতি রাখতে হবে। আসন্ন ঈদের ছুটিতেও আমাদের কর্মকর্তারা মাঠে থাকবে।
সভায় অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মাহমুদুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) রোকনুদ্দৌলা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক আমিনুল হক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক হাবীবুর রহমান, সিইজিআইএসের নির্বাহী পরিচালক মালিক ফিদা, বাংলাদেশ প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর সাইফুল ইসলাম (আইডব্লিউএফএম), বাংলাদেশ প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর (ডব্লিউআরই) ড. মো. মোস্তফা আলী, জেলা পর্যায়ের প্রকৌশলীসহ অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ভারতের আবহাওয়া পূর্বাভাস বিশ্লেষণ করে সিইজিআইএস-এর নির্বাহী পরিচালক মালিক ফিদা জানান, সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটলেও তা ৮৮ নালের মতো হবে না। বন্যা দীর্ঘায়িত হতে পারে তাই সব প্রস্তুতি রাখা সমীচীন।