বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকালে রাজধানীর খামারবাড়িতে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে এক সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ২০১৯-২০ অর্থবছরে সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের জুন, ২০২০ পর্যন্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা নিয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. আবদুল জব্বার শিকদারসহ মন্ত্রণালয় ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের পরিচালকরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ বলেন, ‘সরকারি অর্থ হিসাব করে যথাযথ বিধিবিধান মেনে ব্যয় করতে হবে, যাতে একটি টাকাও অপচয় না হয়। কাজের ক্ষেত্রে গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে প্রকল্প পরিচালকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।’
সভায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের ১৯টি প্রকল্পের জুন, ২০২০ পর্যন্ত অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। ১৯টি প্রকল্পে সংশোধিত এডিপিতে বরাদ্দ ছিল ৫৫০ কোটি ৫ লাখ টাকা। এর বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৪৮০ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। জুন পর্যন্ত প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের প্রকল্প বাস্তবায়ন অগ্রগতির হার ৮৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ।