স্পিকার মনে করেন, নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা এবং বাল্যবিবাহের অবসান ঘটাতে বৈশ্বিক আন্ত-সংসদীয় প্রতিষ্ঠান ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। একে অপরের মধ্যে পরিকল্পনা বিনিময়ের মাধ্যমে জ্ঞানার্জন করে উদ্ভূত সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার আহ্বান জানান তিনি। তার কথায়, ‘পঞ্চম ওয়ার্ল্ড স্পিকার্স কনফারেন্স সমসাময়িক ও উদীয়মান চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে আলোচনার একটি প্ল্যাটফর্ম। কোভিড-১৯ মহামারি পরবর্তী অবস্থায় বিশ্বের সব মানুষের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনের ওপর বিপুল প্রভাব মোকাবিলায় উদ্ভাবনী সমাধান খুঁজে বের করতে সাহায্য করছে এই কনফারেন্স।’
‘মেকিং জেন্ডার ইকুয়ালিটি অ্যান্ড দ্যা এম্পাওয়ারমেন্ট অব ওমেন অ্যান্ড গার্লস অ্যা রিয়েলিটি: বেস্ট প্র্যাক্টিসেস অ্যান্ড পার্লামেন্টারি কমিটমেন্টস’-এর ওপর প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। তার ভাষ্য, ‘বিশ্বব্যাপী উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মেয়ে বাল্যবিবাহের শিকার হয়ে থাকে। করোনাভাইরাস দুর্যোগে নারীদের বিরুদ্ধে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতাকে ত্বরান্বিত করেছে। মহামারিটি পারিবারিক সহিংসতাকে বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণে। বাল্যবিবাহ ও সহিংসতার আশু প্রতিকারকল্পে সমন্বিত প্রচেষ্টার পাশাপাশি বৈশ্বিক প্রতিক্রিয়া ও স্থানীয় অভিজ্ঞতার সমন্বয় ঘটানো জরুরি।’
ক্লেইরি ডুলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরেস, কেনিয়ার স্পিকার কেনেথ লুসাকা ও রুয়ান্ডার স্পিকার ডোনেটিল মুকাবালিসা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। আইপিইউ’র সভাপতি গ্যাব্রিয়েলা চুয়েভাস ব্যারন ও অস্ট্রিয়ান ন্যাশনাল কাউন্সিলের সভাপতি ওফগ্যাং সবতকা।
স্পিকারের পাশাপাশি সংসদ সদস্য আরমা দত্ত, রওশন আরা মান্নান, অপরাজিতা হক, রুমানা আলী ও পীর ফজলুর রহমান বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি প্রতিনিধি দলের অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদ সচিবালয়স্থ কেবিনেট কক্ষ থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হন।