মৎস্যমন্ত্রীর কথায়, ‘অনিয়ম ও অস্বচ্ছতা সম্পূর্ণভাবে পরিহার করতে হবে। প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রস্তুতে অস্বচ্ছতা দূর করতে হবে। প্রকল্পের কাজে গতি বাড়াতে হবে। অনিবার্য কারণে সময় বৃদ্ধি করলেও কোনোভাবেই ব্যয় বাড়ানো হবে না। ক্রান্তিকালীন দায়িত্বে অবহেলা অমার্জনীয় হবে।’
২০১৯-২০ অর্থবছরে সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত মৎস্য উপ-খাতের মোট ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্পের ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয় আজকের সভায়। এসব প্রকল্পে সংশোধিত এডিপিতে বরাদ্দ ছিল ৩৯৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। এর বিপরীতে গত জুন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ২৭৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান কাজী হাসান আহমেদ, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, যুগ্ম সচিব তৌফিকুল আরিফ ও যুগ্ম প্রধান লিয়াকত আলী, মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক কাজী শামস আফরোজসহ মৎস্য অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকরা।