বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনাক্তের হার ২৪ ঘণ্টায় ১৫ দশমিক ৯০ শতাংশ এবং এ পর্যন্ত ২০ দশমিক ২১ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৬৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগীর কথা জানায় স্বাস্থ্য অধিদফতর, তার ঠিক ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কথা জানানো হয়।
অধিদফতরের এমআইএসের (ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম) তথ্যানুযায়ী জানানো হয়, দেশে বর্তমানে ৯২টি পরীক্ষাগারে করোনার নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা চলছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১২ হাজার ১২০টি আর পরীক্ষা হয়েছে ১১ হাজার ৯৩৪টি। এখন পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছেন ১৫ লাখ ৩৭ হাজার ৭৪৯টি।
গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হওয়া তিন হাজার ৪৪ জনের ভেতরে ঢাকা বিভাগে এক হাজার ৫০৭, চট্টগ্রামে ৬০২, রংপুরে ১৭০, খুলনায় ২১০, বরিশালে ৩২, রাজশাহীতে ১৬৭, সিলেটে ২৫৫ জন ও ময়মনসিংহে ১০১ জন রয়েছেন।
করোনায় এখন পর্যন্ত মোট মারা গেছেন চার হাজার ২৪৮ জন। এরমধ্যে বয়স বিবেচনায় মৃতের সংখ্যা এবং শতকরা হারে দেখা গেছে, শূন্য থেকে ১০ বছরের মধ্যে মারা গেছে ১৯ জন, যা শতকরা হিসাবে শূন্য দশমিক ৪৫ শতাংশ, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ৩৬ জন, যা শূন্য দশমিক ৮৫ শতাংশ; ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ১০৩ জন, যা দুই দশমিক ৪২ শতাংশ; ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ২৫৯ জন, যা ছয় দশমিক ১০ শতাংশ; ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৫৭০ জন, যা ১৩ দশমিক ৪২ শতাংশ; ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এক হাজার ১৬৫ জন, যা ২৭ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে দুই হাজার ৯৬ জন, যা শতকরা হিসাবে ৪৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ।
আবার মোট মৃত্যুর বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে অধিদফতর জানায়, ঢাকা বিভাগে এ পর্যন্ত মারা গেছেন দুই হাজার ৪৮ জন, যা ৪৮ দশমিক ২১ শতাংশ; চট্টগ্রাম বিভাগে ৯২৮ জন, যা ২১ দশমিক ৮৫ শতাংশ; রাজশাহী বিভাগে ২৮২ জন, যা ছয় দশমিক ৬৪ শতাংশ; খুলনা বিভাগে ৩৫৫ জন, যা আট দশমিক ৩৬ শতাংশ; বরিশাল বিভাগে ১৬৫ জন, যা তিন দশমিক ৮৮ শতাংশ; সিলেট বিভাগে ১৯১ জন, যা চার দশমিক ৫০ শতাংশ; রংপুর বিভাগে ১৮৯ জন, যা চার দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে মারা গেছেন ৯০ জন, যা দুই দশমিক ১২ শতাংশ।